হ্যাক হওয়া সাইটে জুয়ার বিজ্ঞাপন, গুগলে 'This site may be hacked' সতর্কবার্তা, কাস্টমার হারিয়ে যাওয়া — প্রতি ঘণ্টা দেরি মানেই আরও ক্ষতি। আমরা হ্যাক হওয়া সাইট ২৪–৪৮ ঘণ্টায় পরিষ্কার করে উদ্ধার করি, গুগল ব্ল্যাকলিস্ট থেকে বের করি, এবং ফায়ারওয়াল বসিয়ে এমনভাবে সুরক্ষিত করি যাতে আর না হয়।
আপনার নিজের সাইটে এখন জুয়া বা ক্যাসিনোর বিজ্ঞাপন; অথবা সাইট খুললেই অন্য কোথাও রিডাইরেক্ট হয়ে যাচ্ছে; অথবা গুগলে আপনার নাম সার্চ করলে লাল অক্ষরে 'This site may be hacked' দেখাচ্ছে। কাস্টমার তা দেখে ভয়ে সরে যান — আর ফিরে আসেন না। বছরের পর বছর গড়া সুনাম এক রাতেই ঝুঁকিতে পড়ে।
ক্ষতি শুধু আজকের নয়। গুগল একবার সাইট ব্ল্যাকলিস্ট করলে র্যাংকিং পড়ে যায়; হোস্টিং কোম্পানি প্রায়ই হ্যাক হওয়া সাইট সাসপেন্ড করে দেয়; আর হ্যাকার ঢুকে পড়লে কাস্টমারের ডেটা ও পেমেন্ট তথ্য ঝুঁকিতে পড়ে। এটি শুধু টেকনিক্যাল সমস্যা নয় — সরাসরি ব্যবসায় আঘাত।
আতঙ্কে অনেকে নিজে ঠিক করতে গিয়ে প্লাগইন বা ফাইল মুছে সাইট আরও ভেঙে ফেলেন। হ্যাক একটি জরুরি অবস্থার মতো — সঠিক হাতে দ্রুত সমাধান না হলে ক্ষতি বাড়ে। লুকানো ব্যাকডোর না সরালে কয়েক দিন পর আবার হ্যাক হয়। দরকার এমন একজন, যিনি আগে বহুবার এই কাজ করেছেন।
Javed IT Solution থেকে আমরা আতঙ্কের মুহূর্তে আপনার পাশে দাঁড়াই। প্রথমে পুরো সাইট স্ক্যান করে ঠিক কোথায় ও কীভাবে হ্যাক হয়েছে তা বের করি — অনুমানে কাজ করি না। তারপর প্রতিটি ম্যালওয়্যার, ইনজেক্টেড কোড ও লুকানো ব্যাকডোর সরিয়ে সাইট আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনি। বেশিরভাগ সাইট ২৪–৪৮ ঘণ্টায়, জরুরি ক্ষেত্রে একই দিনে।
পরিষ্কার করাই শেষ নয় — সেটি দরজা খোলা রেখে চলে যাওয়ার মতো। যে দুর্বলতা দিয়ে হ্যাকার ঢুকেছিল তা বন্ধ করি, পুরোনো প্লাগইন-থিম প্যাচ করি, লগইন হার্ডেন করি এবং ওয়েব ফায়ারওয়াল (WAF) বসাই — যাতে পরের আক্রমণ দরজাতেই আটকে যায়। সাথে গুগলে রিভিউ রিকোয়েস্ট করে ব্ল্যাকলিস্ট থেকে বের করে আনি।
আর যাঁদের সাইট এখনও হ্যাক হয়নি — সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হলো আগেই অডিট করিয়ে নেওয়া। হ্যাক হওয়ার পর উদ্ধারের চেয়ে আগে থেকে প্রতিরোধ সবসময়ই সস্তা ও নিরাপদ। আমরা পুরো সাইটের সিকিউরিটি অডিট করি, দুর্বলতা খুঁজে বন্ধ করি, ব্যাকআপ ও মনিটরিং বসাই — যাতে আপনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন।
আপনার সাইট যদি এই মুহূর্তে হ্যাক হয়ে থাকে — অথবা আপনি চান না কখনো হোক — তাহলে এই সেবা আপনার জন্য:
বেশিরভাগ সাইট ২৪–৪৮ ঘণ্টায় পরিষ্কার ও উদ্ধার করা হয়। জরুরি ক্ষেত্রে একই দিনে প্রায়োরিটি রেসপন্সের সুযোগ আছে। স্ক্যানের পরই সঠিক সময় জানিয়ে দিই।
হ্যাঁ। সাইট পরিষ্কার করার পর আমরা গুগলে রিভিউ রিকোয়েস্ট পাঠাই; সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সতর্কবার্তা ও ব্ল্যাকলিস্ট সরে যায়।
শুধু পরিষ্কার করেই থামি না — যে দুর্বলতা দিয়ে ঢুকেছিল তা বন্ধ করি, ফায়ারওয়াল বসাই ও মনিটরিং চালু করি। লুকানো ব্যাকডোর সরানোই পুনরায় হ্যাক ঠেকানোর মূল চাবিকাঠি।
হ্যাঁ। WordPress, Laravel, কাস্টম কোড বা যেকোনো প্ল্যাটফর্ম — সব ক্ষেত্রেই আমরা কাজ করি।
প্রথমে স্ক্যান করে নির্দিষ্ট মূল্য জানাই — কোনো লুকানো খরচ নেই। পরিষ্কার করতে না পারলে ফি ফেরত। bKash, Nagad ও ব্যাংক ট্রান্সফার — যেকোনো মাধ্যমে পেমেন্ট।
দেরি করবেন না — এখনই মেসেজ দিন, আমরা স্ক্যান করে বলে দেব কী হয়েছে আর কত দ্রুত উদ্ধার সম্ভব। সাইট এখনও নিরাপদ থাকলে আজই অডিট করিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে যান।